ম্যাগি নিয়ে আবার প্রশ্ন সুপ্রিমকোর্টে

0
26

আমরা তো প্রায় সবাই ম্যাগি খাই, কেননা আমরা জানিনা ম্যাগি কত বিষাক্ত। আর সেই ‘বিষাক্ত ম্যাগি নুডলস কেন খাব’?সুপ্রিমকোর্টের এই প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়েছে পুরো দেশে। আর এটাও আমরা জানি যে মাত্র দু’মিনিটেই খাবার উপযুক্ত হয়ে যায় সেই ম্যাগি নুডলস। কিন্তু তাতে যদি লেড থাকে, এমএসজি-র মতো বিষাক্ত রাসায়নিক থাকে, আমরা কেন খাব ? প্রশ্ন উঠল সুপ্রিম কোর্টে।
২০০৫ সালে ম্যাগির বিপুল স্টক বাজেয়াপ্ত করেছিল ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইণ্ডিয়া। তখন তাদের দাবি ছিল, যে ম্যাগিতে অতিরিক্ত পরিমাণে মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট ও সিসা রয়েছে । কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের তরফে, কনজিউমার প্রোটেকশান অ্যাক্টের আওয়তায় ৬৪০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের মামলাও করা হয়েছিল নেসলে-র বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি আবার নতুন করে এই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের জাস্টিস ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ এই প্রশ্ন তুললেন এবং পাশাপাশি ম্যাগির নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ দিল ন্যাশানাল কনজিউমার রিড্রেসাল কমিশনকে। আপনারা হয়তো এটাও জানেন ২০১৫ সালে পাঁচ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল ম্যাগি নুডলস। সিএফটিআরআই (মাইসোর)-এর রিপোর্টকে সাক্ষী করে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অনুযায়ী সে সময়ে স্থগিতাদেশের ব্যবস্থা করেছিল ম্যাগি কোম্পানি । এবার নতুন করে নমুনা দাখিলের ঘোষণায় প্রশ্ন উঠছে,সেই বিষয়েরও যে তখনকার রিপোর্ট কতটা বিশ্বাসযোগ্য ছিল।
আপনার কি মনে হয় ম্যাগি কি বাজারে থাকবে ?

ম্যাগি নিয়ে আবার প্রশ্ন সুপ্রিমকোর্টে

আমরা তো প্রায় সবাই ম্যাগি খাই, কেননা আমরা জানিনা ম্যাগি কত বিষাক্ত। আর সেই ‘বিষাক্ত ম্যাগি নুডলস কেন খাব’?সুপ্রিমকোর্টের এই প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়েছে পুরো দেশে। আর এটাও আমরা জানি যে মাত্র দু’মিনিটেই খাবার উপযুক্ত হয়ে যায় সেই ম্যাগি নুডলস। কিন্তু তাতে যদি লেড থাকে, এমএসজি-র মতো বিষাক্ত রাসায়নিক থাকে, আমরা কেন খাব ? প্রশ্ন উঠল সুপ্রিম কোর্টে।
২০০৫ সালে ম্যাগির বিপুল স্টক বাজেয়াপ্ত করেছিল ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইণ্ডিয়া। তখন তাদের দাবি ছিল, যে ম্যাগিতে অতিরিক্ত পরিমাণে মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট ও সিসা রয়েছে । কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের তরফে, কনজিউমার প্রোটেকশান অ্যাক্টের আওয়তায় ৬৪০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের মামলাও করা হয়েছিল নেসলে-র বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি আবার নতুন করে এই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের জাস্টিস ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ এই প্রশ্ন তুললেন এবং পাশাপাশি ম্যাগির নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ দিল ন্যাশানাল কনজিউমার রিড্রেসাল কমিশনকে। আপনারা হয়তো এটাও জানেন ২০১৫ সালে পাঁচ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল ম্যাগি নুডলস। সিএফটিআরআই (মাইসোর)-এর রিপোর্টকে সাক্ষী করে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অনুযায়ী সে সময়ে স্থগিতাদেশের ব্যবস্থা করেছিল ম্যাগি কোম্পানি । এবার নতুন করে নমুনা দাখিলের ঘোষণায় প্রশ্ন উঠছে,সেই বিষয়েরও যে তখনকার রিপোর্ট কতটা বিশ্বাসযোগ্য ছিল।
আপনার কি মনে হয় ম্যাগি কি বাজারে থাকবে ?

ম্যাগি নিয়ে আবার প্রশ্ন সুপ্রিমকোর্টে

আমরা তো প্রায় সবাই ম্যাগি খাই, কেননা আমরা জানিনা ম্যাগি কত বিষাক্ত। আর সেই ‘বিষাক্ত ম্যাগি নুডলস কেন খাব’?সুপ্রিমকোর্টের এই প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়েছে পুরো দেশে। আর এটাও আমরা জানি যে মাত্র দু’মিনিটেই খাবার উপযুক্ত হয়ে যায় সেই ম্যাগি নুডলস। কিন্তু তাতে যদি লেড থাকে, এমএসজি-র মতো বিষাক্ত রাসায়নিক থাকে, আমরা কেন খাব ? প্রশ্ন উঠল সুপ্রিম কোর্টে।
২০০৫ সালে ম্যাগির বিপুল স্টক বাজেয়াপ্ত করেছিল ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইণ্ডিয়া। তখন তাদের দাবি ছিল, যে ম্যাগিতে অতিরিক্ত পরিমাণে মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট ও সিসা রয়েছে । কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের তরফে, কনজিউমার প্রোটেকশান অ্যাক্টের আওয়তায় ৬৪০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের মামলাও করা হয়েছিল নেসলে-র বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি আবার নতুন করে এই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের জাস্টিস ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ এই প্রশ্ন তুললেন এবং পাশাপাশি ম্যাগির নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ দিল ন্যাশানাল কনজিউমার রিড্রেসাল কমিশনকে। আপনারা হয়তো এটাও জানেন ২০১৫ সালে পাঁচ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল ম্যাগি নুডলস। সিএফটিআরআই (মাইসোর)-এর রিপোর্টকে সাক্ষী করে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অনুযায়ী সে সময়ে স্থগিতাদেশের ব্যবস্থা করেছিল ম্যাগি কোম্পানি । এবার নতুন করে নমুনা দাখিলের ঘোষণায় প্রশ্ন উঠছে,সেই বিষয়েরও যে তখনকার রিপোর্ট কতটা বিশ্বাসযোগ্য ছিল।
আপনার কি মনে হয় ম্যাগি কি বাজারে থাকবে ?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here