ওটিপির সমস্যায় ভুগছেন অধ্যক্ষদরা

0
75

চলতি বছর থেকে কলেজের প্রায় সমস্ত প্রশাসনিক কাজ অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে করছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। রেজিস্ট্রেশন, নম্বর আপলোড, ফর্ম পূরণ, অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড থেকে পরীক্ষার টপ শিট-পুরোটাই করতে হচ্ছে অনলাইন যেকানে দরকার হচ্ছে ওটিপি র ।

এই বছর থেকে কলেজের প্রায় সমস্ত প্রশাসনিক কাজ অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে করছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ওয়েবসাইটে কলেজের ইউজার আইডি, পাসওয়ার্ড আসার পরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দিতে হচ্ছে একটি ওটিপি বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড। যা আসছে কলেজের অধ্যক্ষের মোবাইল নম্বরে।

অধ্যক্ষের মোবাইলে ওটিপি আসার পরে তা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাকর্মীকে জানিয়ে দেন অধ্যক্ষ। কিন্তু এখানে একটি সমস্যাও রয়েছে একবার ওটিপি আসার পরে তা ১৫ মিনিট ব্যবহার করা যাবে বলা হলেও অনেক অধ্যক্ষই জানাচ্ছেন, সেটি স্থায়ী হচ্ছে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। ফলে অধ্যক্ষ তা সংশ্লিষ্ট করণিকের কাছে ফরওয়ার্ড করতে করতেই ওটিপির মেয়াদ ফুরিয়ে যাচ্ছে । ফলে ফের নতুন করে গোটা অনলাইন প্রক্রিয়াটা করতে হচ্ছে।

এ ছাড়া অধ্যক্ষরা অনেক সময় নানা রকম কাজে বা বৈঠকে ব্যস্ত থাকেন। ফলে ফোন অনেক সময় বন্দ থাকে যার ফলে ওটিপি ফরওয়ার্ড করার মতো অবস্থায় থাকেন না ওনারা । অনেকের বক্তব্য, এই বছর অনেকটা এই কারণেই প্রথম বর্ষের প্রথম সেমেস্টারের ফর্ম পূরণের সময়সীমা বাড়াতে হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়কে।

এই পরিস্থিতিতে অনেক কলেজ নতুন মোবাইল ফোন কিনে সেই নম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে পাঠিয়েছে। যাতে দ্বিতীয় কারও কাছে ওটিপি যায়। যেমন লেডি ব্রেবোর্ন কলেজের অধ্যক্ষ শিউলি সরকার বলছেন, সব সময় ওটিপি দেওয়া ওনার পক্ষে সম্ভব নয়। এই কারণে একটা আলাদা মোবাইল কেনা হয়েছে। সেটা দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাছে থাকবে এবং ওটিপি এলে তিনি এটা ফরওয়ার্ড করবেন ।

যদি কলকাতার কলেজগুলির এই সমস্যা হয় তাহলে শহরের বাইরের কলেজগুলির কী অবস্থা হবে ?
তালদির বঙ্কিম সর্দার কলেজের অধ্যক্ষ তিলক চট্টোপাধ্যায় জানাচ্ছেন, তিনি এবং তাঁর কর্মীরা কলেজে অতিরিক্ত সময় থেকে অনলাইনের কাজ মেটাচ্ছেন। চম্পাহাটির সুশীল কর কলেজের অধ্যক্ষ মানস অধিকারী বলেন ওটিপি আসছেই অনেক দেরি করে। আর যখন আসছে তখন তা ইনভ্যালিড হয়ে যাচ্ছে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here