ভারতের অদ্ভুৎ ৪ টি মন্দির

0
60

আপনারা তো অনেক মন্দিরের ব্যাপারে শুনেছেন বা জানেন।
কিন্তু কখনো কি শুনেছেন কুকুরের মন্দির,ইঁদুরের মন্দির ,গাড়ির মন্দির এর কথা।
আজ আপনাদের বলব এমন ৪ টি মন্দিরের ব্যাপারে যা শুনে আপনি হয়তো অবাক হয়ে যাবেন। ভারত মূলত অদ্ভুৎ এবং অস্বাভাবিক কিছু জিনিসপত্রের একটি স্তান হতে চলেছে । দেশে অনেক অনন্য এবং অদ্ভুৎ জিনিস আছে এবং এর মধ্যে রয়েছে এই মন্দিরগুলি । হ্যাঁ আপনি ঠিকই পড়েছেন ।
১ কর্ণাটকের কুকুর মন্দির
এই মন্দিরে কুকুরকে দেবতা হিসাবে পূজা করা হয়। এই মন্দিরটি কর্ণাটকের চেন্নাপত্ন শহর আগারা ভালগেরেহাল্লি নামে একটি ছুট্ট গ্রামে অবস্থিত । এই শহরটি বাঙ্গালুরু শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
২ ইঁদুর মন্দির
ভারতের রাজস্থানের দেশনোকে অবস্থিত কার্নি মাতাকে উৎসর্গ করা একটি হিন্দু মন্দির। এটি ইঁদুর (Rats) মন্দির নামেও পরিচিত। প্রায় ২৫,০০০ কালো ইঁদুরের জন্য মন্দিরটি বিখ্যাত এবং মন্দিরে থাকা ইঁদুরগুলি অনেক সম্মানিত। সেখানকার এই পবিত্র ইঁদুরগুলিকে ক্বাবাস বলা হয় । এছাড়া অনেক মানুষ তাদের সম্মান দিতে অনেক দূর থেকে ভ্রমণ করেন এই মন্দিরে ।
৩ বুলেট বাবার মন্দির
রাজস্থানের ওম বান্না নামের এক ব্যক্তি, যিনি ওম সিং রাঠোর নামে পরিচিত ছিলেন । ওম বান্না বাগদী থেকে চটিলা যাওয়ার পথে ওনার মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং একটি গাছে ধাক্কা লেগে নিহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ মোটরসাইকেলটি কাছাকাছি পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যায়। পরের দিন এটি স্টেশন থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছে বলে জানান পুলিশ । পরে তদন্ত করে দুর্ঘটনার জায়গায় পাওয়া গিয়েছিল সেই মোটরসাইকেল। পুলিশ আবারো মোটরসাইকেলেটি নিয়ে লক ও চেইন লাগিয়ে রেখেছিল । তাদের  প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, পরের দিন সকালে আবার অদৃশ্য হয়ে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিল মোটরসাইকেলটি । স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে এটি একটি অলৌকিক ঘটনা । পরে তারা শুরু করেন ” বাইক” উপাসনা । অলৌকিক মোটরসাইকেলের খবর কাছাকাছি গ্রামেও ছড়িয়ে পড়ে,সবার উপাসনা সেই জায়গাটি একটি মন্দির রূপে পরিণত হয় । বর্তমানে এই মন্দিরটি “বুলেট বাবার মন্দির” নামে পরিচিত। লোকেরা বিশ্বাস করেন যে ওম বান্না এর আত্মা দুঃখজনক ভ্রমণকারীদের সাহায্য করে।
৪ কুমীর মন্দির
সম্প্রতি ছত্তিশগড়ের মোহিতারা গ্রামে প্রায় ১৩০ বছরেরও বেশি বয়সী একটি কুমীর মারা গিয়েছে । এই কুমীরটি গ্রামের একটি পুকুরে থাকত। কুমীরটি গঙ্গারাম নামে পরিচিত ছিল। সাধারণত কুমীরের পাশে কেও গেলে তো খেয়ে ফেলবে বা মেরে ফেলবে । কিন্তু সেই কুমীরটি কারো কোনো ক্ষতি করেনি ।পুকুরটিতে অনেক লোক স্নানও করত। এখন গ্রামের সরপঞ্চ মোহন সাহুর মতে শীঘ্রই গঙ্গারামের স্মৃতিতে পুকুরের কাছে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হবে । পরবর্তীকালে কুমীরের একটি মন্দিরও তৈরি করা হবে।
আমাদের জানাবেন আপনার কাছে কোন মন্দিরটি সবচেয়ে বেশি অদ্ভুৎ লেগেছে ?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here