কিভাবে ধ্বংস হচ্ছে শের শাহের দুর্গ

0
80

শের শাহ সুরি ১৪৮৬ সালে বিহারের সাসারামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর উত্তরাধিকারী হলেন ইসলাম শাহ সুরি ।
শের শাহ মুঘল সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন ।

১৫৪৫ সালে তাঁর দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র ইসলাম শাহ তাঁর উত্তরাধিকারী হন। তিনি প্রথমে বাবুর অধীনে মুগল সেনা ও বিহারের গভর্নর হয়েছিলেন। ১৫৩৭ সালে বাবুর পুত্র হুমায়ূন যখন অভিযানে অন্যত্র ছিলেন, তখন শের শাহ বাংলার রাজ্যকে পরাভূত করেছিলেন এবং সুরি রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

তিনি প্রথমে বাবুর অধীনে মুগল সেনা ছিলেন। ১৫৩৭ সালে বাবুর পুত্র হুমায়ূন যখন অভিযানে অন্যত্র ছিলেন, তখন শেরশাহ বাংলার রাজ্যকে পরাভূত করেছিলেন এবং সুরি রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন । ১৫৩৮ থেকে ১৫৪৫ সাল পর্যন্ত তাঁর সাত বছরের শাসনামলে তিনি একটি নতুন নাগরিক ও সামরিক প্রশাসন গঠন করেন, “তাক” থেকে প্রথম রূপিয়া জারি করেন যাঁকে আমরা টাকা বলি । এছাড়া ভারতীয় উপমহাদেশের ডাক সিস্টেম পুনরায় সংগঠিত করেন ।

তিনি আরও হুমায়ুনের দিনা-পানাহ শহরটি গড়েতুলেন এবং এটি শেরগড় নামকরণ করেন । পাটলিপুত্র ঐতিহাসিক শহরটি পুনরুজ্জীবিত করেন, যা এখন পাটনা নামে পরিচিত। তিনি গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড তৈরী করেন যেটা ঢাকার চিটাগাং থেকে আফগানিস্তান এর কাবুল অবধি যায় ।

হিন্দুস্তান তখত-ই-তাজের, সুলতানদের শৈশব থেকে একটি দুর্গ হিসেবে ব্যবহূত হতো । বর্তমানে দুর্গটিতে একটি সবজি বাজার তৈরী হয়েছে । যে দুর্গটি একবার মুনাফা দেখেছিল, সেখানে এখন আবর্জনার ঢের । সরকারের উদাসীনতার কারণে এই দুর্গ ধ্বংসাবশেষে পরিণত হচ্ছে। এই দুর্গটি আজ নির্লজ্জ ও নিরর্থক হয়ে উঠেছে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here