মার্কিন যুক্ত রাষ্ট্র ও জাপানে ৬০ কোটি টাকা পাঠাচ্ছে কৃষক

0
66

রাজস্থানের যোগেশ যোশী ৭ জন কৃষক নিয়ে শুরু করেন ওনার কাজ । বর্তমানে প্রায় ৩০০০ এর ও বেশি কৃষক যুক্ত আছেন যোশীর সাথে । তাঁরা প্রতি বছরে প্রায় ৬০ কোটির ও বেশি টাকা উপার্জন করেন ।
রাজস্থানের জ্বালোর জেলার সান্চুর তহশীলের যুবক এবং প্রগতিশীল কৃষক যোগেশ যোশী ওনার সমস্ত সাথী কৃষকরা বিভিন্ন ধরণের ফসল উৎপাদন করেন । যেমন জীরে, ধোনে ,মেথি, কালো জীরের মতো মশলার চাষ করেন । এছাড়া চিয়া বীজ ,বাজরা থেকেও তাঁরা অনেক বেশি অর্থ উপার্জন করে থাকেন । সেই জন্য পশ্চিম রাজস্থানের এই ফসল গুলি জাপানে পাঠানো হয় ।

যোগেশ আগামী কিছু বছরের মধ্যে ওনার এই ব্যবসাকে ৬০ কোটি থেকে ১ আরব কোটি পর্যন্ত পৌঁছানর চেষ্টায় লেগেছেন । ওনার ২০০৯ সালে ”জীরে” দিয়ে শুরু করা ব্যবসায় ক্ষতি হয়েছিল
কিন্তু তিনি থেমে থাকেন নি। যোগেশ রাজস্থানের কাজীরিতে অনুষ্ঠিত কৃষক মেলায় অংশগ্রহণের পর গ্রামের সংযোগের জন্য বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন মঈনউদ্দিন চিশতির সঙ্গে ।

দেশের বাকি লোকের মতো, ওনার পরিবার চায়নি যে উনি চাষের কাজ করেন । উনি স্নাতকের পর জৈব চাষের ওপর একটি ডিপ্লোমা করেছিলেন । কিন্তু ঘরের লোকের বক্তব্য ছিল যে যদি ওনার কৃষি কাজে মনোযোগ থাকে তাহলে কৃষি কাজে জড়িত কোনো চাকরি করতে । কিন্তু উনি নিজের সিদ্ধান্ত বদলান নি আর সেই কারণেই আজ এতো উপরে যেতে পেরেছেন । যোগেশের মতে, সে সময় জৈব চাষের গুরুত্ব অনেক বেশি ছিল না। উনি ২ বিঘা জীরে চাষ দিয়ে শুরু করেছিলেন ওনার কাজ । কিন্তু অভিজ্ঞতার অভাবে , ক্ষতি হয়ে যায় বলে তিনি থেমে যান নি । সাহস আর তত্ত্ব নিয়ে দ্বিতীয় বার আবার চাষ করেন ।

যোগেশ ব্যাখ্যা করেন, শুরুতে কৃষকদের যোগ করা সহজ ছিল না,কারণ মাত্র সাতটি কৃষক একত্রিত হয়েছিল। তাদের প্রশ্ন ছিল ইউরিয়া ছাড়াই, ডিএপি এবং কীটনাশক দিয়ে কি চাষ করা যায় ? বিজ্ঞানীদের সহায়তায় জৈব সার এবং ফসল সুরক্ষা কীভাবে ওষুধ তৈরি করবেন, তা শিখেছিলেন । তাদের গবেষণায় ভাল ফল পেয়েছিলেন এবং ৭ জন কৃষক থেকে শুরু হওয়া অভিযান ৩,০০০ এ পৌঁছেছে । এটি ওনাদের জন্য একটি অর্জন, ৭ বছরের মধ্যে, ওদের দলের ১০০০ কৃষক জৈব সার্টিফিকেট পেয়েছেন ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here